সফটওয়্যার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সফটওয়্যার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

Bluestacks সমস্যার সহজ সমাধান

১২:১৩ PM 1 Comment
 অ্যান্ড্রয়েড এপ্লিকেশন প্লেয়ার Bluestacks উইন্ডোজ ৮ এবং ৮.১ এ সহজে ইন্সটল প্রসেস…অ্যান্ড্রয়েড এপ্লিকেশন এখন পিসিতেই চালান…



আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহ্‌র রহমতে সবাই ভাল এবং সুস্থ আছেন। আমাদের মধ্যে অনেকেই Bluestacks এর মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড এপ্লিকেশন পিসিতে চালিয়ে থাকি। কিন্তু উইন্ডোজ ৮ এবং ৮.১ এ চালাতে গিয়ে অনেকেরই একটি সমস্যা হয়। আর সমস্যাটি হল ইন্সটলের সময় Error 25000 “Error 25000. BlueStacks currently doesn’t recognize your graphics card. It is possible your Graphics Drivers may need to be updated. Please update them and try installing again.”।
এটি সমাধানের জন্য সফটওয়্যার আপনাকে আপনার পিসির গ্রাফিক্স ড্রাইভার আপডেট করে নিতে বলে। তাই আপনার পিসির গ্রাফিক্স ড্রাইভার আপডেট করে নিলেই হল। আর যদি আপডেট করার পরেও একই সমস্যা দেখেন, তবে মাথা গরম না হয়ে আর যায় না।
যা হোক সেই সমস্যার সমাধান হয়তো আগে থেকেই অনেকের জানা আছে। আগের মত আর টেকটিউন্সে লেখার মত সময় হয়ে ঊঠছে না। যা হোক কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক এই সমস্যা সমাধানের উপায়।
#প্রথমেই ডাউনলোড করে নিন ব্লুস্ট্যাক্স এর MSI ফাইল।
## এবার ডাউনলোড করে নিন অর্কা (Orca) এটি মাইক্রোসফ্‌টের ডাটাবেজ টেবিল এডিটর। এর দ্বার MSI ফাইল এডিট করতে পারবেন।
ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ১.৮২ মেগা বাইট
  • প্রথমেই Orca ইন্সটল করে নিন।
  • এবার MSI ফাইলটির (Bluestacks offline installer) উপর রাইট ক্লিক করে Edit with Orca তে ক্লিক করুন।
  •  এবার বামদিকের টেবিল কলাম থেকে LaunchCondition এ ক্লিক করুন>> তারপর Installed OR PhysicalMemory >=1024 এ ক্লিক করুন>> এবার Delete বাটন চাপুন >> OK করুন।  [এটি করলে আপনি মাত্র ১ গিগা বাইটের র‍্যামের কম্পিউটারেও ইন্সটল করতে পারবেন। আর যদি আপনার কম্পিউটারে ২ গিগা বাইট বা তার বেশি র‍্যাম থেকে থাকে তবে এটি না করলেও চলবে।]
  •  এবার InstallExecuteSequence এ ক্লিক করুন>> CheckMsiSignature এ ক্লিক করুন>> এবার Delete বাটন চাপুন >> OK করুন।
  •  এবার Property এ ক্লিক করুন >> GLMODE এর ডান পাশে TRUE এর উপর ক্লিক করে FALSE লিখুন>> এন্টার বাটন চাপুন।
  •  Save ()বাটনে ক্লিক করুন এবং Orca এক্সিট করুন।
  •  এবার ডাউনলোড কৃত MSI ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন (আমার ক্ষেত্রে BlueStacks_HD_AppPlayerPro_setup_REL.msi) এবং ইন্সটল শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
গ্রাফিক্স ড্রাইভার জনিত সমস্যার সমাধান আশ করি হয়ে গেছে। এখন আপনার পছন্দের অ্যান্ড্রয়েড এপ্লিকেশন গুলো উপভোগ করুন আপনার কম্পিউটারে।
আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই আশা বাদ ব্যক্ত করে বিদায় নিচ্ছি। রসদ পেলে শীঘ্রই আবার টিউন নিয়ে হাজির হব। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

পেনড্রাইভকে মাল্টিবুট করার সব চেয়ে সহজ উপায়

১১:০৭ AM Add Comment

বানিয়ে ফেলুন মাল্টিবুট পেন ড্রাইভ আর হয়ে যান কম্পিউটার এর বস। (মেগা টিউন+ ভিডিও)

পেনড্রাইভকে মাল্টিবুট করার সব চেয়ে সহজ উপায়

টিউন করেছেন : অনক হাজরা
 সাইট - https://www.youtube.com/channel/UC_dmtEmQRN0yLTgC7xHNJIQ

বাস্তব জীবনে কম্পিউটারে কাজ করতে করতে অনেক সময় আমাদের অপারেটিং সফটওয়্যার কাজ করে না। অনেক সময় আমাদের সি ড্রাইভ এ গুরুত্বপূর্ণ ফাইল থাকে যা অপারেটিং সফটওয়্যার বুট না হবার কারনে  অনেক সময় নষ্ট হয়ে যাই।
তাই আজ আমি আপনাদের দেখবো কি ভাবে হিরেন বুট সিডি দিয়ে মিনি এক্সপি ওপেন ও উইন্ডোজ ৭,৮,৮.১ ইন্সটল করে হই এবং Symantec Ghost দিয়ে উইন্ডোজ ব্যাকআপ ফাইল ৫ মিনিতে ইন্সটল করে।

মাল্টিবুট পেনড্রাইভ এর  মেইন সুবিধা গুলো 

  • আপনার সি ড্রাইভ এর হারানো সকল ফাইল ফিরে পাবেন।
  • আপনার ৭,৮,৮.১ ইন্সটল করতে পারবেন।
  • মিনি এক্সপি দিয়ে যে কনো Operation করতে পারবেন যেমন হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট, হার্ড ডিস্ক Partition file Copy ,Paste ইত্যাদি।
  • administrator Password ব্রেক করতে পারবেন।
  • Symantec Ghost দিয়ে উইন্ডোজ ব্যাকআপ করা ফাইল ৫ মিনিতে ইন্সটল এবং নতুন ব্যাকআপ ফাইল  নিতে পারবেন।
  • এছাড়াও হিরেন বুট সিডি (মিনি এক্সপি অথবা ডস মুডে ) ওপেন করে একাধিক কাজ করতে পারবেন।

আমাদের যা যা দরকার হবে।

  • Hiren's.BootCD.15.1,2 (.iso)
  • Symantec.Ghost.11.5.Corporate (.iso)
  • YUMI-0.0.7.4 (.exe)
  • Windows 7,8,8.1 .Iso File
  • Pen drive or Portable Hard disc
প্রথমে পেন ড্রাইভ কম্পিউটার এর সাথে ইউএসবি পোর্ট এ  লাগে লাগাতে হবে।  চলুন তার আগে দেখে নেয় কিভাবে আমাদের দরকারি সফট কিভাবে ডাউনলোড করা যাই।
http://www.hirensbootcd.org/download/
ক্লিক করে  নিচের দিকে গেলে  স্ক্রলবার টানলে এ রকম স্ক্রীন পাব।

৫৯২.৫ এমবি ফাইল টা ডাউনলোড করব। আপনি ইচ্ছা করলে ১৫.১  4share হতে ডাউনলোড করে  use করতে পারবেন।নেক্সট আমরা YUMI ডাউনলোড করব।
http://www.pendrivelinux.com/yumi-multiboot-usb-creator/
ক্লিক করলে এ রকম স্ক্রীন পাব।প্রবলেম হলে 4share হতে পুরাতন ভার্সন ডাউনলোড করে  use করতে পারবেন।

তারপর Symantec.Ghost.11.5.Corporate আর জন্য http://search.4shared.com/q/CCAD/1/Symantec.Ghost.11.5.Corporate
ক্লিক করব। তাহলে পাব এ রকম স্ক্রীন আথবে 4shared.com সার্চ করলে পাব এই স্ক্রীন ।

মোটামুটি ডাউনলোড ওকে ।উইন্ডোজ ৭ ,৮ ডিভিডি হতে iso করে নিতে পারেন অথবা iso ডাউনলোড কর যেতে পারে।
আসল কাজ শুরু করি।প্রথমে আমরা পেন ড্রাইভ লাগানো আসে কি না দেখি

আমরা পেন ড্রাইভ Anok নামে দেখা যাই। যাই হক আপনার পেন ড্রাইভ সেট করে  Yumi.exe ডাবল ক্লিক তারপর আমরা পাব এ রকম স্ক্রীন।
    নেক্সট  I Agree
Show all drive ক্লিক করে পপ আপ মেনু হতে আপনার পেন ড্রাইভ লেটার select করতে হবে।

আমার  পেন ড্রাইভ এল ড্রাইভ তাই আমি L ড্রাইভ সিলেক করেছি আপানার পেন ড্রাইভ যে ড্রাইভ আপনি সে ড্রাইভ  সিলেক  করে  we Will FAT32 format টিক মার্ক দেন। পপ আপ মেনু হতে হিরেন বুট সিডি 15.x Select করুন।তাহলে নিচের উইন্ডো পাবেন।

Browse করে আপনার ডাউনলোড করা Hiren's.BootCD  লোকেশান দেখিয়ে দিন। এরপর Create বাটন ক্লিক করুন। নিচের  উইন্ডো পাবেন। ইয়েস করুন।

নিচের মত উইন্ডো পাব। তারমানে আমাদের Hiren's.BootCD পেন ড্রাইভ ইন্সটল হতে আরম্ভ হল।

এই প্রসেস  শেষ হতে ১৫- ২০ মিন সময় লাগতে পারে।

এখন আমাদের  উপরে  উইন্ডো ১.১০ Min reaming দেখাই।

শেষ হবার পরে উপরে স্ক্রীন পাব। Next button ক্লিক  করব। নিচের উইন্ডো পাব।

আমরা যদি অনলি হিরেন বুট সিডি ইন্সটল করি তাহলে  N0 করে Finish করব। কিন্তু আমরা যেহেতু Symantec.Ghost ও ইন্সটল তাই আবার Yes  বাটন ক্লিক করব।
Yes  বাটন ক্লিক করার পর নিচের উইন্ডো মত উইন্ডো। মানে এবার দেখেন আগের মত একটা উইন্ডো এবার কিন্তু  Format ড্রাইভ টিক দিবেন না। খালি দেখুন পেন ড্রাইভ লেটার ড্রাইভ সিলেক্ট আসে কি না। নরমাল ভাবে ঠিক  থাকে।

স্ক্রল বার টেনে Symantec Ghost  জন্য Try An  Untitled iso সিলেক্ট করুন ঠিক নিচের উইন্ডো এর মত।

Browse করে Symantec.Ghost.11.5.Corporate iso লোকেশান সিলেক্ট করে দিন। Create button ক্লিক করুন।  একটু পরে  ঠিক নিচের উইন্ডো পাব।

Next ক্লিক করব। আমরা Next করে No করব কারন আমরা কোন iso add করতে চাই না।

নেক্সট করে  No করার পর ফিনিশ করুন। আপনি যদি উইন্ডোজ ৭,৮  ইন্সটল করতে চান তবে Yes করে windows Vista/7.8 installer সিলেক্ট করে ISO ফাইল Browse করে দেখেয়ি দিন পরে Next করে  No করে Finish করুন।

লক্ষ্য করলে দেখতে পাই মাই পেন ড্রাইভ Anok প্রবর্তিত হয়ে multiboot  Show করে। আমাদের সব কাজ শেষ এবার আপনার পেন ড্রাইভ Use করতে পারবেন। Boot Setup Pendrive Select করে use করুন। আজ  শেষ করসি বাকিটুকু অন্যদিন  লিখব।

প্রয়োজনে ভিডিও  টিউটোরিয়াল দেখুন। সবাইকে ধন্যবাদ।
ভিডিও লিঙ্ক

dll ফাইল মিসিং সমস্যার সমাধান ।

১০:৩০ AM Add Comment

কম্পিউটার থেকে DLL ফাইল মিসিং!!!! সমস্যা হচ্ছে, তাহলে সমাধান নিন DLL-Files Fixer দিয়ে।

আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম খুব স্বল্প ওজনের একটি দারুন সফট কম্পিউটারের জন্য। যে কোন কাজ করতে গিয়ে যদি দেখেন DLL ফাইল মিসিং এর কারনে আপনার কাজটি বাধাগ্রস্থ হচ্ছে তাহলে মেজাজ টা কেমন লাগবে আপনার? নিশ্চয় ভাল থাকার কথা নয়। তাই এর সহজ সমাধানের জন্য আপনাদের উপহার দিবো DLL-Files Fixer নামের খুব স্বল্প ওজনের ম্যাজিক সফটওয়্যার যার ওজন মাত্র ৫.১৫ মেগাবাইট। এটি দিয়ে আপনি আপনার কম্পিউটারের DLL মিসিং ফাইলকে মেরামত ও ফিক্স করে নিতে পারেন এবং সিস্টেম কে দিতে পারেন dll errors কারনে freezing, crashing or blue screen  এর হাত থেকে বাঁচার এক দারুন উপায়। এ শুধু DLL ফাইল মিসিং কে ঠিক করে তা নয়, কম্পিউটারকে ফুল স্ক্যান করে আরও এর সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য ইরর ফাইলকে ফিক্স করে কম গতি সম্পন্ন কম্পিউটারকে দিতে পারে অসামান্য গতি। 


 একটিভেটর - https://app.box.com/s/lien7d5mguykls2gbmmb
 ==================================
অথবা মূল সাইট থেকে http://www.dll-files.com/fixer/
 পিসিতে ইন্সটল  করুন , এবার ডেস্কটপ আইকন থেকে Dll-Files Fixer কে ডাবল ক্লিকের মাধ্যমে ওপেন করুন। ওপেন করার সময় আপডেট চাইলে NO তে ক্লিক দিন। এবার নিচের চিত্রের মত পাবেন————–


এখানে আপনি আপনার কম্পিউটারের রেজিস্ট্রি ড্যামেজের পরিমান দেখতে পারবেন ও রেজিস্ট্রি ফিক্স করার জন্য Start Scanning Now এ ক্লিক দিয়ে ইরর ফাইলকে ঠিক করে নিতে পারেন। Start Scanning Now এ ক্লিক দিলে নিচের চিত্রের মত পাবেন———


এখানে কতটুকু স্ক্যান হলো ও কোন কোন ফাইল ইরর দেখাচ্ছে তা দেখা যাবে ও স্ক্যান শেষে নিচের চিত্রের মত পাবেন————
এখানে আপনি Fixs Error এ ক্লিক দিয়ে ইরর ফাইল গুলিকে মেরামত করে নিতে পারেন। কাজ শেষে আপনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে তা জানা যাবে।
এবারে DLL ফাইল মিসিং ঠিক করার কৌশল টি জেনে নিন। সফটের উপরের মেনু বারে Install DLL Files এ ক্লিক দিন নিচের চিত্রের মত পাবেন————–


যে DLL ফাইল মিসিং হয়েছে তা খালি বক্সে লিখুন এবং Search DLL- Files.com এ ক্লিক দিন। এই কাজটি করতে গেলে কম্পিউটারে অবশ্যই ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। কিছুক্ষনের মধ্যে আপনি কাংখিত DLL ফাইলটির ডাউনলোড করার অপশন পেয়ে যাবেন তা ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন।
রেজিস্ট্রি ব্যাক আপের জন্য মেনু বারে Backup Registry তে ক্লিক দিন নিচের চিত্রের মত পাবেন——–


এখানে আপনি রেজিস্ট্রি ব্যাক আপ ও রি স্টোর করে নিতে পারেন।

তাহলে বন্ধুরা ছোট একটি সফট যদি এত মুল্যবান কাজ করতে পারে তাহলে হাতের কাছে কেন রাখবেন না এই DLL- Files Fixer কে। ব্যবহার করুন DLL- Files Fixer ও কম্পিউটারকে রাখুন ফ্রেস ও গতিময়তার মাঝে। আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভাল ও সুস্থ্য থাকুন এই কামনা করছি।

ধন্যবাদ সহ-
মোঃ জাকির হোসেন
২০.১১.২০১৩

ফাইল এবং ফোল্ডার লক করুন সব চেয়ে সহজে - মিয়াজী

১২:১৯ PM Add Comment

ফাইল এবং ফোল্ডার লক করুন সব চেয়ে সহজ এবং শক্তিশালী সফটওয়্যার দিয়ে ( সফটওয়্যার + সিরিয়াল )

আমাদের পিসিতে মাজে মাজে বা নিয়মিত বড় ভাই, বা অন্য কেউ বসেন এবং এক জনের ফাইল আরেকজন দেখে ফেলেন হতে পারে সে ফাইলটা আপনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু বা নিজস্ব যাহা অন্য কেউ দেখলে আপনার জন্য বিপদের কারন হয়ে দাঁড়াবে। সে জন্য অনেকে অনেক ধরনের সফটওয়্যার ব্যাবহার করেন বা করে থাকেন কিন্তু সেটাতে যখন আপনি ফাইল বা ফোল্ডারকে লক করলেন পুনরায় আনলক করলে দেখা যায় সে ফাইল টি নেই। বা খুজে পাওয়া জাচ্ছে না। বা লক করার পরে ও দেখা যায় আনলক হয়ে আছে :P
আমি আপনাদের কে যে সফটওয়্যার টি দিলাম এটা ১০০% গুনাগুন এবং মানসম্পন্ন। আপনার ফাইল টি কি অবস্তায় আছে এবং লক হয়েছে কি হয় নাই, সেটা সাথে সাথে দেখতে পাবেন + এবং আনলক করতে চাইলে ক্লিক এর সঙ্গে সঙ্গে আনলক এবং লক হয়ে যাবে, এই সফটওয়্যার টি ২০১২ তে সবার শীর্ষে ১নাম্বার র‍্যাঙ্কিং এ ছিল ফাইল ফোল্ডার লক এর জন্য। আপনার সেট করা মাস্টার পাসওয়ার্ড ছাড়া কোন ভাবেই আপনার লক করা ফাইল কেউ এক্সেস বা দেখতে পারবেনা, এবং সফটওয়্যার কেউ রিমুভ ও করতে পারবেনা পাসওয়ার্ড ছাড়া। এবং লক করা ফাইল টি ও উদাও হয়ে জাবে,পিসিতে সার্চ বা কোন কিছু করে খুজে পাবেনা লক করা ফাইল এবং ফোল্ডার টি।
এবার দেখুন কি ভাবে এর ব্যাবহার করবেন।
প্রথমে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে পিসিতে ইন্সটল করে নিন,  এবং শুরুতে মাস্টার পাসওয়ার্ড দিতে ভুল করবেন না, আর এই পাসওয়ার্ড ছাড়া আপনি পুনরায় কিছুতেই ফাইল এবং ফোল্ডার লক এবং আনলক করতে পারবেন না। তাই পাসওয়ার্ড টি অবশ্যই অবশ্যই খেয়াল রাখবেন।এবং সিরিয়াল কী দিয়ে একটিভ করে নিন। যখন এক্টিভ করবেন কী দিয়ে । বলবে সিরিয়াল ঠিক নেই, তাতে কোন সমস্যা নেই, সফটওয়্যার ক্লোজ করে দিয়ে আবার খুলে দেখুন দেখবেন রেজিস্ট্রেড হয়ে গেছে।
যে ভাবে লক এবং আনলক করবেন, এখানে ২ ভাবে লক এবং আনলক করা যায়। আপনি ইচ্ছে করলে ম্যানুয়ালী ও করতে পারেন। এড ফোল্ডারে ক্লিক করে। আবার মাউস দিয়ে টেনে ড্রপ এন্ড ড্রাগ করে করতে পারবেন। এখানে ছবিতে দেখুন আমি ডেস্কটপ থেকে মাউস দিয়ে টেনে এনে এই সফটওয়্যার এর মাজে ছেড়ে দিলাম ব্যাস লক হয়ে গেলে। আবার আনলক করার জন্য এখান থেকে মাউস দিয়ে টেনে বের করে নিন,ব্যাস আনলক হয়ে গেল। এবং লক এন্ড এক্সিট,এ ক্লিক করলে সফটওয়্যার টি ক্লোজ হয়ে যাবে।
Software Size.3.7MB
Supproted All Windows.
সফটওয়্যার ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
==================
সফটওয়্যার সিরিয়াল কী ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন
আজ এখানে সমাপ্তি।
আল্লাহ হাফিজ
>>মিয়াজী<<

বুটেবল পেনড্রাইভ দিয়ে উইন্ডোজ সেটাপ দেয়ার সহজ নিয়ম

১:২৮ PM Add Comment

আপনার উইন্ডোজ ৭/৮ এর Bootable পেনড্রাইভ তৈরি করুন মাত্র ৭২৭ কেবি এর সফটওয়্যার দিয়ে । 



বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আপনি একটি Bootable পেনড্রাইভ তৈরি করবেন এবং আপনার পিসি তে উইন্ডোজ ইন্সটল করবেন পেনড্রাইভ এর দ্বারা । এই  বিষয় নিয়ে ইতি মধ্যে একাধিক পোস্ট বিভিন্ন বাংলা ব্লগে হয়েগেছে সেটা আমি জানি , যেমন - Windows 7 USB DVD Download Tool , Win to Flash এই সকল সফটওয়্যার নিয়ে পোস্ট হয়েছে তাছাড়া কম্যান্ড এর দারাও কিভাবে করতে হয় তা নিয়েও পোস্ট হয়েছে । কিন্তু আমি আজাকে আমি একটি নতুন সফটওয়্যার নিয়ে এলাম এর নাম WiNToBootic এর সাইজ ও খুব ছোট ১ এমবিও না মাত্র ৭২৭ কেবি , আর এটিকে ইন্সটল ও করার দরকার নেই । তাহলে নীচে থেকে দেখে নিন কিভাবে এই সফটওয়্যার টি ব্যবহার করে একটি Bootable পেনড্রাইভ তৈরি করবেন ।






১// প্রথমে একটি ৪ জিবি বা তার বেশি একটি পেনড্রাইভ নিন ৪ জিবির কম নিবেন না , কারন টা আপনারা ভাল করেই জানেন । উইন্ডোজ ৭/৮ এর একটি ISO ফাইল ডেস্ক টপে রেখে দিন ।


২// এবার আপনার পেনড্রাইভ টিকে USB পোর্টে প্রবেশ করান তারপর WiNToBootic সফটওয়্যার টি ওপেন করুন দেখুন বাম পাশে আপনার পেনড্রাইভ এর ড্রাইভ এসে গেছে । নীচের চিত্রে দেখুন …


৩// এবার ডান পাশের Drop Source or Click বাটন এ ক্লিক করে ISO ফাইল টিকে সিলেক্ট করে নিন , আপনি ইছে করলে ডিভিডি থেকে কপি করেও করতে পারেন । নীচের চিত্রে দেখুন …
৪// উপরের মতো করলেই নীচের মতো আসবে । সেখান থেকে Quick Format এ ক্লিক করুন । নীচের চিত্রে দেখুন …

৫// এবার Do it! এ ক্লিক করুন । নীচের চিত্রে দেখুন ……





৬// এবার আপনাকে আর কিছু করতে হবে সব ঠিক ভাবে করলে নীচের চিত্রের মতো আসবে …



৭// এবার ১০০ না হওয়া পর্যন্ত বসে গান শুনুন । সম্পূর্ণ হলে নীচের চিত্রের মতো Thanks! ম্যাসেজ দিবে , তার মানে কাজ ব্যবহার করার যোগ্য হয়েগেছে আপনার পেনড্রাইভ  । নীচের চিত্রে দেখুন …
৮// এবার My Computer থেকে আপনার পেনড্রাইভ  দেখুন নীচের চিত্রের মতো আসবে ……

=/> এবার পেনড্রাইভ দিয়ে উইন্ডোজ ইন্সটল করার জন্য পেনড্রাইভ  টিকে ইউএসবি পোর্টে প্রবেশ করান তারপর পিসি রিস্টার্ট দিন । তারপর Bios থেকে আপনার পেনড্রাইভ  সিলেক্ট করুন বাকি কাজ আশাকরি আপনারা জানেন । আরে সফটওয়্যার ডাউনলোড লিঙ্ক দিতেই ভুলে গেছি । নীচে থেকে ডাউনলোড করে নিন ।



মুল সাইট থেকে ডাউনলোড করতে নীচের লিঙ্ক
=/> আমার এই পোস্টে কোন প্রকার ভুল থাকেল আমাকে ক্ষমা করে দিন , আর আমার এই পোস্ট থেকে আপনাদের কিছুটা পরিমান উপকার হলে একটি কমেন্ট করে জানেবেন । তাহলে আজকের মতো এই পর্যন্ত আবারও দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে । ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন । আল্লাহ্‌ হাফেজ ।